এখনই কল করুন
প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা নিন,
আরও যুক্ত হন আমাদের SQUARE Diabetes Care কমিউনিটিতে — একদম বিনামূল্যে।
আরও যুক্ত হন আমাদের SQUARE Diabetes Care কমিউনিটিতে — একদম বিনামূল্যে।

ডায়াবেটিস: একটি নীরব মহামারী
প্রতি ১০ জনে ১ জন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত
প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা (২০–৭৯ বছর)
১১.৩১ কোটি
ডায়াবেটিসের প্রাদুর্ভাব
১৩.২%
চিহ্নিত রোগী
১.৩৯ কোটি
Type 1 ডায়াবেটিস রোগী (১০-২৫ বছর)
৭,৪২৫ জন
২০৫০ সালের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবেন ২.৩ কোটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ
কেন আগে শনাক্তকরণ গুরুত্বপূর্ণ
হৃদরোগ
দৃষ্টিশক্তি হ্রাস
স্নায়ু ক্ষতি
কিডনি বিকল
দীর্ঘমেয়াদি প্রতিবন্ধকতা
এখনই ব্যবস্থা নিন:
নিয়মিত টেস্ট করুন
খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা নিয়ন্ত্রণ করুন
পরিবারকে শিক্ষিত করুন
আগাম স্ক্রিনিংয়ে উৎসাহ দিন
ডায়াবেটিস ঝুঁকি মূল্যায়ন
আপনার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি মূল্যায়ন করুন— মাত্র ১ মিনিটে
অ্যানসুপেন টুইস্ট

কনটোর প্লাস

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
আপনার সাধারণ প্রশ্নগুলোর উত্তর এখানে দেওয়া হলো, যাতে আপনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
আরও জানতে চান?
আমাদের সহায়তা টিমের সঙ্গে যোগাযোগ করুনQ1: রোজা রেখে সুগার টেস্ট / ইনসুলিন নেওয়া যাবে?
দেশী-বিদেশী বিজ্ঞ আলেম অভিমত পেশ করেছেন যে,রোজা রেখে সুগার টেস্ট করলে / ইনসুলিন নিলে রোজা শেষ হয়না ।
Q2: কি কারণে রোযা না রাখার অনুমতি আছে?
- যদি কেউ শরীয়ত সম্মত সফরে থাকে, তাহলে তার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে; পরে কাযা করে নিতে হবে। কিন্তু সফরে যদি কষ্ট না হয়, তাহলে রোজা রাখাই উত্তম। আর যদি কোন ব্যক্তি রোজা রাখার নিয়ত করার পর সফর শুরু করে তাহলে সে দিনের রোজা রাখা জরুরী।
- কোন রোগী ব্যক্তি রোজা রাখলে যদি তার রোগ বেড়ে যাওয়ার আশংকা হয় অথবা অন্য কোন নতুন রোগ দেখা দেয়ার আশংকা হয় অথবা রোগ মুক্তি বিলম্বিত হওয়ার আশংকা হয়, তাহলে রোজা ছেড়ে দেয়ার অনুমতি আছে। সুস্থ হওয়ার পর কাযা করে নিতে হবে। তবে অসুস্থ অবস্থায় রোজা ছাড়তে হলে কোন দ্বীনদার পরহেযগার চিকিৎসকের পরামর্শ থাকা শর্ত, কিংবা নিজের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের ভিত্তিতে হতে হবে,শুধু নিজের কাল্পনিক খেয়ালের বশীভূত হয়ে আশংকাবোধ করে রোজা ছাড়া দুরস্ত হবে না। তাহলে কাযা কাফ্ফারা উভয়টা ওয়াজিব হবে।
- রোগ মুক্তির পর যে দুর্বলতা থাকে তখন রোজা রাখলে যদি পুনরায় রোগাμান্ত হওয়ার প্রবল আশংকা হয়, তাহলে তখন রোজা না রাখার অনুমতি আছে, পরে কাযা করে নিতে হবে।
- গর্ভবতী বা দুদ্ধদায়িনী স্ত্রীলোক রোজা রাখলে যদি নিজের জীবনের ব্যাপারে বা সন্তানের জীবনের ব্যাপারে আশংকা বোধ করে বা রোজা রাখলে দুধ শুকিয়ে যাবে আর সন্তানের সমূহ কষ্ট হবে- এরূপ নিশ্চিত হয়, তাহলে তার জন্য তখন রোযা ছাড়া জায়েয,পরে কাযা করে নিতে হবে।
- হায়েয নেফাস অবস্থায় রোজা ছেড়ে দিতে হবে এবং পবিত্র হওয়ার পর কাযা করে নিতে হবে।
Q3: কি কারণে রোজা শুরু করার পর তা ভেঙ্গে ফেলার অনুমতি রয়েছে?
- যদি এমন পিপাসা বা ক্ষুধা লাগে যাতে প্রাণের আশংকা দেখা দেয়, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি আছে।
- যদি এমন কোন রোগ বা অবস্থা দেখা দেয় যে, ওষুধ-পত্র গ্রহণ না করলে জীবনের আশা ত্যাগ করতে হয়, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি আছে।
- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের যদি এমন অবস্থা হয় যে, নিজের বা সন্তানের প্রাণ নাশের আশংকা হয়, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি আছে।
- বেহুঁশ বা পাগল হয়ে গেলে রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি আছে।
Q4: কাদের রোজা রোজা রাখা সমীচীন হবে না?
যাদের নি¤ড়বলিখিত সমস্যা আছে তাদের রোজা রাখা সমীচীন হবে না:
- ডায়াবেটিস জনিত মারাত্মক কিডনী রোগ
- ডায়াবেটিস জনিত চোখের রেটিনার মারাত্মক সমস্যা
- ডায়াবেটিস জনিত বিকল স্বয়ংμিয় ¯ড়বায়ুতন্ত্র
- হাইপোগ্লাইসেমিয়ায় ‘টের না পাওয়ার’ সমস্যা
- ডায়াবেটিস জনিত বড় রক্ত নালীর মারাত্মক সমস্যা (যেমন- স্ট্রোক, হার্ট এ্যাটাক)
- সাম্প্রতিক কালে ‘ডায়াবেটিক কোমা’ হওয়া
- সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
- দিনে যাদের অনেকবার ইনসুলিন নিতে হয়
- গর্ভাবস্থা ও দুগ্ধদান কালে
- পাকস্থলি ও ডুওডেনামে আলসার
- মারাত্মক ফুসফুসের যক্ষ্মা রোগ
- মারাত্মক সংμমণ
- মারাত্মক অ্যাজমা/শ্বাসকষ্ট (অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে থাকলে রোজা রাখতে বাধা নেই)
- শরীরের বিভিনড়ব অঙ্গে বার বার পাথর হওয়া
- ক্যানসার জনিত কারণে মারাত্মক শারীরিক দুর্বলতা
- সাম্প্রতিক মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশান বা হার্ট এটাক
- মারাত্মক মানসিক রোগ (যেমন সিজোফ্রেনিয়া)
- মারাত্মক লিভারের সমস্যা (অখঞ যদি দ্বিগুণের বেশি হয়)
ডায়াবেটিস কেয়ার কমিউনিটিতে যোগ দিন
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অন্যদের সঙ্গে যুক্ত হোন, গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিন, আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন এবং স্কয়ারের স্বাস্থ্য কার্যক্রম সম্পর্কে হালনাগাদ থাকুন।
